পলাশবাড়ীতে এলসিএস প্রকল্পের নিয়োগ বঞ্চিত ৪৫ নারী 


প্রকৌশল নিউজ ডেস্ক :
পলাশবাড়ীতে এলসিএস প্রকল্পের নিয়োগ বঞ্চিত ৪৫ নারী 

ছবি: প্রতিকী

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগোগ উঠেছে। অভিযোগ আছে, লেবার কন্ট্রাক্ট সোসাইটি(এলসিএস) প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪৫ জন দুস্থ অসহায় মহিলা শ্রমিক নিয়োগ না দিয়ে বিগত এক বছরে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা হতে বঞ্চিত করেছে। এরফলে, একদিকে যেমন অসহায় মহিলাবা কাজ থেকে বঞ্চিত হল অপরদিকে এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার না হবার কারণে এলাকাবাসীর দূর্ভোগ বেড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, সরকার গ্রামীন দুস্থ অসহায় কর্মঠ মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর লেবার কন্ট্রাক্ট সোসাইটি(এলসিএস) প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়কের মেরামত কাজ ও রক্ষনাবেক্ষনের জন্য মহিলা শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়।

এরই অংশ হিসেবে বিগত অর্থ বছরের শুরুতে গাইবান্ধা জেলার সকল উপজলায় এলসিএস প্রকল্পের আওতায় মহিলা শ্রমিক নিয়োগের নির্দেশসহ তাগাদাপত্র প্রেরণ করেন গাইবান্ধা জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী।

সেই মোতাবেকে জেলার সকল উপজেলায় এলসিএস প্রকল্পে মহিলা শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে বিভিন্ন সড়কের মেরামত কাজ সম্পন্ন করে। নিয়োগকৃত মহিলা শ্রমিকদের প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও  প্রকৌশলী তাহাজ্জত হোসেন অজ্ঞাত কারণে গত এক বছরে পলাশবাড়ী উপজেলায়  ৪৫ জন মহিলা শ্রমিক নিয়োগ দেননি। এই ৪৫ জন শ্রমিক নিয়োগ না দেওয়ার কারণে এলজিইডি’র অধীনে থাকা অধিকাংশ কাঁচা-পাকা সড়কের মেরামত কাজ একেবারেই হয়নি।

এ ব্যাপারে প্রকৌশলী তাহাজ্জত হোসেন শ্রমিক নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,  ‘নারী শ্রমিক নিয়োগ না দেওয়ায় সাংবাদিকদের তো কোন ক্ষতি হয়নি।’ কেন নিয়োগ দেওয়া হয়নি এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি।

জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বারবার তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও পলাশবাড়ী উপজেলায় এক বছরেও কেন শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হলো না বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে ব্য'বস্থা নেয়া হবে।

পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়াম্যান এ কে এম মোকছেদ জানান, এলসিএস প্রকল্পে নারী শ্রমিক নিয়োগের বিষয়টি আমাকে অবগত করাই হয়নি। আর নিয়োগ না দেয়ার বিষয়টি একান্তই তার ব্যক্তিগত সিন্ধান্ত যা বেআইনী।